1. admin@sonerbanglanews24.com : admin :
শুক্রবার, ২০ মে ২০২২, ০৪:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায়দের পাশে দাড়ান- শিক্ষক সমিতির ঈদ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানেএমপি নাসির ভিজিএফ কার্ড সহ সকল ন্যায্য অধিকার জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছি-এমপি নাসির সাফল্যের ২০ বছরে দেশের অন্যতম বিপিও প্রতিষ্ঠান ফিফোটেক চুরামনকাঠির চুরি যাওয়া ৬ট্রাক কাঠ সীমাখালিতে উদ্ধার কথা সাহিত্যিক রেজা নুর এর ১৬তম কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন স্বাস্থ্যমন্ত্রী পুরষ্কার-২২ চৌগাছা ও ঝিকরগাছা উপজেলা যথাক্রমে ১ম ও ৭ম ভাষা শহীদদের প্রতি এমপি নাসির উদ্দীন এর শ্রদ্ধা নিবেদন ‘জয় বাংলা’ কে জাতীয় স্লোগান করার সিদ্ধান্ত মন্ত্রীসভার বৈঠকে বেজিয়াতলা ইংরেজি উচ্চ বিদ্যালয় এর নতুন কমিটি গঠন সাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, নিজে সুস্থ্য থাকুন অন্যদের সুস্থ্য থাকতে সহযোগিতা করুন

চলে গেলেন একাত্তরের কণ্ঠযোদ্ধা ফকির আলমগীর

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৩ জুলাই, ২০২১
  • ২২৭ বার পঠিত

চলে গেলেন একাত্তরের কণ্ঠযোদ্ধা, কিংবদন্তী গণসংগীত শিল্পী ফকির আলমগীর। শুক্রবার রাত ১০টা ৫৬ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। ফকির আলমগীরের মৃত্যু সংবাদটি নিশ্চিত করেন তার ছেলে মাশুক আলমগীর রাজীব।

রাত ১১টার দিকে তার ছেলে রাজীব জানান, রাত দশটার একটু আগে লাইফ সাপোর্টে থাকা ফকির আলমগীরের হার্ট অ্যাটাক হয়। এরপর থেকে মুহূর্তেই তার অবস্থা খারাপ হতে থাকে। চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন, কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ করে রাত ১০টা ৫৬ মিনিটের দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ১৫ জুলাই থেকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন ফকির আলমগীর। এরমধ্যে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ১৯ জুলাই তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।

তিনি ১৯৬৬ সালে ছাত্র ইউনিয়নের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় ক্রান্তি শিল্পীগোষ্ঠী ও গণশিল্পীগোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে ষাটের দশকে বিভিন্ন আন্দোলন–সংগ্রামে এবং ’৬৯-এর গণ–অভ্যুত্থানে গণসংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে এক বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। এরপর ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি যোগ দেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে। তিনি একাত্তরের কণ্ঠযোদ্ধা হিসেবে পরিচিত। ৯০–এর সামরিক শাসনবিরোধী গণ–আন্দোলনে তিনি শামিল হয়েছিলেন তাঁর গান দিয়ে। বাংলাদেশের সব ঐতিহাসিক আন্দোলনে তিনি তাঁর গান দিয়ে মানুষকে উজ্জীবিত করার চেষ্টা করেছেন। রাজপথে বিভিন্ন আন্দোলনে তাকে বহুবার দেখা গেছে।

স্বাধীনতার পর পাশ্চাত্য সংগীতের সঙ্গে দেশজ সুরের মেলবন্ধন ঘটিয়ে বাংলা পপ গানের বিকাশে ভূমিকা রাখেন এ শিল্পী। সংগীতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সরকার ১৯৯৯ সালে ফকির আলমগীরকে একুশে পদক দেয়। ফকির আলমগীর গানের পাশাপাশি নিয়মিত লেখালেখিও করেন। ‘মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও বিজয়ের গান’, ‘গণসংগীতের অতীত ও বর্তমান’, ‘আমার কথা’, ‘যারা আছেন হৃদয় পটে’সহ বেশ কয়েকটি বই প্রকাশ হয়েছে তার।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ সোনার বাংলা নিউজ ২৪
কারিগরি কালের ধারা ২৪