1. admin@sonerbanglanews24.com : admin :
সোমবার, ০৩ অক্টোবর ২০২২, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সরকারি চাকরির বয়সে ৩৯ মাস ছাড় ইউক্রেনে আরও ৩ লাখ সেনা সমাবেশের ঘোষণা দিলেন পুতিন ছাদখোলা বাস প্রস্তুত নারী ফুটবল দলের জন্য গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন। বল্লা ১৬দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২২ এর ২য় ম্যাচে ট্রাইবেকারে জিতল সোনাকুড় ফুটবল একাদশ বল্লা ১৬দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট এর উদ্ভোধনী ম্যাচে ২-০গোলে মাটিকোমরা ফুটবল একাদশের জয় বেশি ভাবতে গিয়ে সর্বনাশ হয়েছে ভারতের আগষ্টে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স। ১৯হাজার ৩৬১কোটি টাকা টিকে থাকার লড়াইয়ে আজ শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি বাংলাদেশ – ওপেনিংয়ে পরিবর্তনের আভাস পাকিস্তানের বন্যা ইতিহাসের ভয়াবহতম বন্যা – শাহবাজ, সহায়তার আবেদন জাতিসংঘের

চলে গেলেন একাত্তরের কণ্ঠযোদ্ধা ফকির আলমগীর

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৩ জুলাই, ২০২১
  • ২৬৯ বার পঠিত

চলে গেলেন একাত্তরের কণ্ঠযোদ্ধা, কিংবদন্তী গণসংগীত শিল্পী ফকির আলমগীর। শুক্রবার রাত ১০টা ৫৬ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। ফকির আলমগীরের মৃত্যু সংবাদটি নিশ্চিত করেন তার ছেলে মাশুক আলমগীর রাজীব।

রাত ১১টার দিকে তার ছেলে রাজীব জানান, রাত দশটার একটু আগে লাইফ সাপোর্টে থাকা ফকির আলমগীরের হার্ট অ্যাটাক হয়। এরপর থেকে মুহূর্তেই তার অবস্থা খারাপ হতে থাকে। চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন, কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ করে রাত ১০টা ৫৬ মিনিটের দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ১৫ জুলাই থেকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন ফকির আলমগীর। এরমধ্যে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ১৯ জুলাই তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।

তিনি ১৯৬৬ সালে ছাত্র ইউনিয়নের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় ক্রান্তি শিল্পীগোষ্ঠী ও গণশিল্পীগোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে ষাটের দশকে বিভিন্ন আন্দোলন–সংগ্রামে এবং ’৬৯-এর গণ–অভ্যুত্থানে গণসংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে এক বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। এরপর ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি যোগ দেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে। তিনি একাত্তরের কণ্ঠযোদ্ধা হিসেবে পরিচিত। ৯০–এর সামরিক শাসনবিরোধী গণ–আন্দোলনে তিনি শামিল হয়েছিলেন তাঁর গান দিয়ে। বাংলাদেশের সব ঐতিহাসিক আন্দোলনে তিনি তাঁর গান দিয়ে মানুষকে উজ্জীবিত করার চেষ্টা করেছেন। রাজপথে বিভিন্ন আন্দোলনে তাকে বহুবার দেখা গেছে।

স্বাধীনতার পর পাশ্চাত্য সংগীতের সঙ্গে দেশজ সুরের মেলবন্ধন ঘটিয়ে বাংলা পপ গানের বিকাশে ভূমিকা রাখেন এ শিল্পী। সংগীতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সরকার ১৯৯৯ সালে ফকির আলমগীরকে একুশে পদক দেয়। ফকির আলমগীর গানের পাশাপাশি নিয়মিত লেখালেখিও করেন। ‘মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও বিজয়ের গান’, ‘গণসংগীতের অতীত ও বর্তমান’, ‘আমার কথা’, ‘যারা আছেন হৃদয় পটে’সহ বেশ কয়েকটি বই প্রকাশ হয়েছে তার।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ সোনার বাংলা নিউজ ২৪
Thems Customized By Shakil IT Park