1. admin@sonerbanglanews24.com : admin :
বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ১২:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রগতি লাইফ ইন্সুরেন্স এর মেট্রো প্রকল্পের ম্যানেজারদের ট্রেনিং এবং সম্মেলন অনুষ্ঠিত ২য় ধাপে ৮৪৮টি ইউপি ভোট ১১ই নভেম্বর, ভোট হবে ইভিএম এর মাধ্যমে ব্যাংক এশিয়ার সকল পয়েন্ট থেকে ট্রেজারী ফি সহ বিভিন্ন সরকারি ফি জমা দেওয়া যাবে ধানমন্ডিতে ‘আমাদের কুড়েঘর’ এর উদ্দোগে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ ও দোয়া মাহফিল আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম(আইআইইউসি)এর নতুন প্রো-ভিসি ড. মাশরুরুল মাওলা ঝিকরগাছা নির্মানাধীন ব্রিজ নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও জনগনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত আফগানিস্তানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন আবারও ব্যাংক থেকে লোন নিচ্ছে সরকার যশোরের খাজুরায় নিয়ন্ত্রণহীন রোলার পুকুরে, কিশোর নিহত যশোর প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন ও সাধারণ সম্পাদক তৌহিদূর রহমান

যে গ্রামের বাড়ি বাড়ি কুরবানির গোশত পৌছায়ে দেওয়া হয়

যশোর প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২২ জুলাই, ২০২১
  • ৯২৬ বার পঠিত

যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার বল্লা গ্রামে ১৯৮৬সাল থেকে বাড়ি বাড়ি কুরবানির গোশত পৌছায়ে দেওয়া হয়। সারাদেশে যেখানে গ্রহিতাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে গোশত চাইতে হয় সেখানে এই গ্রামের যুবকরা কুরবানির গোশত মসজিদে একসাথে করে পরিবারের সদস্য সংখ্যা অনুযায়ী প্যাকেট করে পৌছায়ে দিয়ে থাকে।
এই প্রচলনের উদ্দোক্তা ডাঃ মিজানুর রহমান এর সাথে কথা বলে জানা যায়, একসময় গরীব মানুষেরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে গোশত চাইত। যে যা দিত তাই নিত। অর্থাৎ যে যত বাড়ি যেতে পারত সে তত বেশি গোশত পেত। অন্যদিকে যারা অসুস্থ, কারও কাছে হাত পাততে পারে না, তারা কিন্তু মোটেই গোশত পেত না। অথচ এই সকল মানুষেরাও হকদার। এসব বিবেচনায় আমরা প্রথম এই কাজ শুরু করি। প্রথমে একটা পাড়ায় এই সিস্টেম চালু করা হয়, আস্তে আস্তে পুরা গ্রামকে এই সিস্টেম এর আওতায় নিয়ে আসা হয়। গ্রামবাসী এর সুফল পাচ্ছে, আশেপাশে অনেক গ্রাম এই সিস্টেম চালু করেছে বা করছে। এছাড়া আমরা ৯০সালের দিকে স্যানিটেশন প্রোগ্রাম চালু করেছিলাম, সেই থেকে আমাদের গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে টয়লেট আছে। ৯৫সালের দিকে বয়ষ্ক শিক্ষা কার্যক্রম হাতে নিয়েছিলাম। এভাবে অনেকেই উপকৃত হয়েছে। আমরা গ্রামের সবাইকে নিয়ে একটি মডেল গ্রাম হিসাবে গড়ে তুলতে চাই ২০৪০সালের মধ্যে৷ তিনি আরও বলেন আমাদের ইয়াং জেনারেশনকে নিয়ে একটা সংগঠন গড়ে তোলা হয়েছে “বল্লা ফাউন্ডেশন” নামে। আমাদের স্লোগান “Urban village Vision 2040″।
রিয়াজ হাসান রানা নামের একজন ভলেন্টিয়ার জানান এবারের মোট দাতা সংখ্যা ২২২জন(ছাগল-১৩৪ গরু-৮৮শেয়ার) যা গত বছর ছিল ২০২জন। করোনা পরিস্থিতিতেও আলহামদুলিল্লাহ কুরবানির সংখ্যা বেড়েছে। আর গ্রহিতার সংখ্যা ৭১৪পরিবার যা গতবছর ছিল ৭৩৪পরিবার।

কুরব

কুরবানির গোশত এক জায়গায় করা হচ্ছে


আর একজন সদস্য মুজাহিদুল ইসলাম জানায় এই বছর ছাগলের গোশতের পরিমাণ ৫৬০কেজি এবং গরুর গোশতের পরিমাণ ৬৬৭কেজি। ১-৩জনের ৩৩৬টি পরিবারকে ১.৩কেজি ছাগলের গোশত দেওয়া হয়েছে। ৪-৫জনের ৩২৩টি পরিবারকে ১.৯কেজি গরুর গোশত দেওয়া হয়েছে। ৬-১০জনের ৫৫টি পরিবারকে ১.৯কেজি ছাগলের গোশত ও ৭০০গ্রাম গরুর গোশত দেওয়া হয়েছে।
আব্দুস সালাম নামের একজন সদস্য জানান আমাদের গ্রামে ১৫ঘর হিন্দু পরিবার আছে। আমরা তাদেরকে ছাগলের গোশত দেই। তারা খুশিমনে সেটা গ্রহণ করে। এভাবেই আমরা গ্রামের সবাই একসাথে মিলেমিশে বসবাস করছি।

কুরবানির গোশত বিলি করার জন্য মাপা হচ্ছে


গ্রহিতাদের সাথে কথা বলে জানা যায় তারা এই বিলিবন্টন নিয়ে খুব খুশি। তাদের কারও কাছে হাত পাততে হয় না। সময়মতো ভলেন্টিয়াররা গোশত দিয়ে যায়। ভলেন্টিয়ারদের জন্য অনেক অনেক দোয়া।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ সোনার বাংলা নিউজ ২৪
কারিগরি কালের ধারা ২৪