1. admin@sonerbanglanews24.com : admin :
বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ০২:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রগতি লাইফ ইন্সুরেন্স এর মেট্রো প্রকল্পের ম্যানেজারদের ট্রেনিং এবং সম্মেলন অনুষ্ঠিত ২য় ধাপে ৮৪৮টি ইউপি ভোট ১১ই নভেম্বর, ভোট হবে ইভিএম এর মাধ্যমে ব্যাংক এশিয়ার সকল পয়েন্ট থেকে ট্রেজারী ফি সহ বিভিন্ন সরকারি ফি জমা দেওয়া যাবে ধানমন্ডিতে ‘আমাদের কুড়েঘর’ এর উদ্দোগে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ ও দোয়া মাহফিল আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম(আইআইইউসি)এর নতুন প্রো-ভিসি ড. মাশরুরুল মাওলা ঝিকরগাছা নির্মানাধীন ব্রিজ নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও জনগনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত আফগানিস্তানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন আবারও ব্যাংক থেকে লোন নিচ্ছে সরকার যশোরের খাজুরায় নিয়ন্ত্রণহীন রোলার পুকুরে, কিশোর নিহত যশোর প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন ও সাধারণ সম্পাদক তৌহিদূর রহমান

চুয়াডাঙ্গার এসপি জাহিদের উইমেন্স সাপোর্ট সেন্টার প্রশংসনীয় উদ্দোগ

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : সোমবার, ১৯ জুলাই, ২০২১
  • ৩৮ বার পঠিত

চুয়াডাঙ্গার এসপি জাহিদ হাসানের উইমেন্স সাপোর্ট সেন্টার এর সফলতা এখন চুয়াডাঙ্গার মানুষের মুখে মুখে। তিনি নারীদের বিভিন্ন পারিবারিক এবং ব্যক্তিগত সমস্যা সমাধানের জন্য এই উইমেন্স সাপোর্ট সেন্টার চালু করেন। ইতোমধ্যে এই সাপোর্ট সেন্টার এর মাধ্যমে অনেকেই উপকার পেয়েছেন।

আট বছর আগে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ফার্মপাড়ার কামরুল হাসানের মেয়ে ঝুমা খাতুনের সঙ্গে সদরের আলুকদিয়া ইউনিয়নের দৌলতদিয়া গ্রামের ফজলুর হকের ছেলে শাহিনের বিয়ে হয়। তাদের কোলজুড়ে আসে ফুটফুটে দুই সন্তান। মেয়ে সাইবা খাতুন (৩) ও ছেলে আবু সাইফকে (১) নিয়ে ভালোই কাটছিল তাদের সংসার।

হঠাৎ তাদের সংসারে কলহ দেখা দেয়। মাঝেমধ্যে ছোটখাটো বিষয় নিয়ে ঝুমা খাতুনকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন শাহিন ও তার পরিবারের লোকজন। তাদের নির্যাতনে আত্মহত্যার চেষ্টা চালান ঝুমা। বিষয়টি জানতে পেরে ঝুমা ও তার সন্তানদের বাড়িতে নিয়ে আসেন মা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সন্তানসহ পুনরায় স্বামীর বাড়িতে যান। এরপর শ্বশুরবাড়ির লোকজন আবার নির্যাতন শুরু করেন। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে আবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে চিকিৎসার জন্য ঝুমাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন বাবা-মা।

এ ঘটনার পর থেকে শাহিন ও তার পরিবারের লোকজন ঝুমার খোঁজখবর নিতেন না। বিষয়টি সমাধানের জন্য বিভিন্ন জনের কাছে গিয়েও কোনো কাজ হয়নি। বুধবার (১২ মে) পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে যায় ঝুমার পরিবার। পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন। এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে উইমেন্স সাপোর্ট সেন্টারকে নির্দেশ দেন।

পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মিতা রানী বিশ্বাস উভয়পক্ষকে সাপোর্ট সেন্টারে ডেকে আনেন। উভয়ের সমস্যার কথা শোনেন এবং সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য উভয়কে অনুরোধ করেন। অবশেষে ভুল বুঝতে পারে শাহিন ও তার পরিবার। শাহিন ভুল স্বীকার করে ঝুমার সঙ্গে সংসার করতে রাজি হন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ভুল না করার প্রতিশ্রুতি দেন।

এএসআই মিতা রানী বিশ্বাস ঢাকা পোস্টকে বলেন, চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের ‘উইমেন্স সাপোর্ট সেন্টার’ ইতোপূর্বে একাধিক পরিবারকে ভেঙে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করেছে। উভয়পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যার সমাধান দিয়েছে। উইমেন্স সাপোর্ট সেন্টারের পদক্ষেপ দেখে ভুক্তভোগীরা আসছেন প্রতিদিন। কেউ সমাধান ছাড়া ফিরে যাননি। এজন্য পুলিশ সুপার স্যারের অবদান অনস্বীকার্য।

চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার (এসপি) জাহিদুল ইসলাম বলেন, অনেক সময় ছোটখাটো সমস্যার কারণে অনেকের সংসার ভেঙে যায়। এতে অনেক শিশু মা-বাবার ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত হয়। ওসব শিশুর সঠিক বিকাশ হয় না। এসব দেখে জেলা পুলিশ উদ্যোগ নিয়েছে উইমেন্স সাপোর্ট সেন্টারের মাধ্যমে সেবা দেওয়ার। এর মাধ্যেমে শাহিন-ঝুমা দম্পতিসহ অনেকে ফিরে পেয়েছে তাদের সুখের সংসার। বাচ্চারা ফিরে পেল পিতৃস্নেহ-মাতৃস্নেহ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ সোনার বাংলা নিউজ ২৪
কারিগরি কালের ধারা ২৪