1. admin@sonerbanglanews24.com : admin :
বুধবার, ২৫ মে ২০২২, ০৮:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায়দের পাশে দাড়ান- শিক্ষক সমিতির ঈদ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানেএমপি নাসির ভিজিএফ কার্ড সহ সকল ন্যায্য অধিকার জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছি-এমপি নাসির সাফল্যের ২০ বছরে দেশের অন্যতম বিপিও প্রতিষ্ঠান ফিফোটেক চুরামনকাঠির চুরি যাওয়া ৬ট্রাক কাঠ সীমাখালিতে উদ্ধার কথা সাহিত্যিক রেজা নুর এর ১৬তম কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন স্বাস্থ্যমন্ত্রী পুরষ্কার-২২ চৌগাছা ও ঝিকরগাছা উপজেলা যথাক্রমে ১ম ও ৭ম ভাষা শহীদদের প্রতি এমপি নাসির উদ্দীন এর শ্রদ্ধা নিবেদন ‘জয় বাংলা’ কে জাতীয় স্লোগান করার সিদ্ধান্ত মন্ত্রীসভার বৈঠকে বেজিয়াতলা ইংরেজি উচ্চ বিদ্যালয় এর নতুন কমিটি গঠন সাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, নিজে সুস্থ্য থাকুন অন্যদের সুস্থ্য থাকতে সহযোগিতা করুন

চুয়াডাঙ্গার এসপি জাহিদের উইমেন্স সাপোর্ট সেন্টার প্রশংসনীয় উদ্দোগ

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : সোমবার, ১৯ জুলাই, ২০২১
  • ১১৮ বার পঠিত

চুয়াডাঙ্গার এসপি জাহিদ হাসানের উইমেন্স সাপোর্ট সেন্টার এর সফলতা এখন চুয়াডাঙ্গার মানুষের মুখে মুখে। তিনি নারীদের বিভিন্ন পারিবারিক এবং ব্যক্তিগত সমস্যা সমাধানের জন্য এই উইমেন্স সাপোর্ট সেন্টার চালু করেন। ইতোমধ্যে এই সাপোর্ট সেন্টার এর মাধ্যমে অনেকেই উপকার পেয়েছেন।

আট বছর আগে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ফার্মপাড়ার কামরুল হাসানের মেয়ে ঝুমা খাতুনের সঙ্গে সদরের আলুকদিয়া ইউনিয়নের দৌলতদিয়া গ্রামের ফজলুর হকের ছেলে শাহিনের বিয়ে হয়। তাদের কোলজুড়ে আসে ফুটফুটে দুই সন্তান। মেয়ে সাইবা খাতুন (৩) ও ছেলে আবু সাইফকে (১) নিয়ে ভালোই কাটছিল তাদের সংসার।

হঠাৎ তাদের সংসারে কলহ দেখা দেয়। মাঝেমধ্যে ছোটখাটো বিষয় নিয়ে ঝুমা খাতুনকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন শাহিন ও তার পরিবারের লোকজন। তাদের নির্যাতনে আত্মহত্যার চেষ্টা চালান ঝুমা। বিষয়টি জানতে পেরে ঝুমা ও তার সন্তানদের বাড়িতে নিয়ে আসেন মা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সন্তানসহ পুনরায় স্বামীর বাড়িতে যান। এরপর শ্বশুরবাড়ির লোকজন আবার নির্যাতন শুরু করেন। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে আবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে চিকিৎসার জন্য ঝুমাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন বাবা-মা।

এ ঘটনার পর থেকে শাহিন ও তার পরিবারের লোকজন ঝুমার খোঁজখবর নিতেন না। বিষয়টি সমাধানের জন্য বিভিন্ন জনের কাছে গিয়েও কোনো কাজ হয়নি। বুধবার (১২ মে) পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে যায় ঝুমার পরিবার। পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন। এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে উইমেন্স সাপোর্ট সেন্টারকে নির্দেশ দেন।

পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মিতা রানী বিশ্বাস উভয়পক্ষকে সাপোর্ট সেন্টারে ডেকে আনেন। উভয়ের সমস্যার কথা শোনেন এবং সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য উভয়কে অনুরোধ করেন। অবশেষে ভুল বুঝতে পারে শাহিন ও তার পরিবার। শাহিন ভুল স্বীকার করে ঝুমার সঙ্গে সংসার করতে রাজি হন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ভুল না করার প্রতিশ্রুতি দেন।

এএসআই মিতা রানী বিশ্বাস ঢাকা পোস্টকে বলেন, চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের ‘উইমেন্স সাপোর্ট সেন্টার’ ইতোপূর্বে একাধিক পরিবারকে ভেঙে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করেছে। উভয়পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যার সমাধান দিয়েছে। উইমেন্স সাপোর্ট সেন্টারের পদক্ষেপ দেখে ভুক্তভোগীরা আসছেন প্রতিদিন। কেউ সমাধান ছাড়া ফিরে যাননি। এজন্য পুলিশ সুপার স্যারের অবদান অনস্বীকার্য।

চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার (এসপি) জাহিদুল ইসলাম বলেন, অনেক সময় ছোটখাটো সমস্যার কারণে অনেকের সংসার ভেঙে যায়। এতে অনেক শিশু মা-বাবার ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত হয়। ওসব শিশুর সঠিক বিকাশ হয় না। এসব দেখে জেলা পুলিশ উদ্যোগ নিয়েছে উইমেন্স সাপোর্ট সেন্টারের মাধ্যমে সেবা দেওয়ার। এর মাধ্যেমে শাহিন-ঝুমা দম্পতিসহ অনেকে ফিরে পেয়েছে তাদের সুখের সংসার। বাচ্চারা ফিরে পেল পিতৃস্নেহ-মাতৃস্নেহ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ সোনার বাংলা নিউজ ২৪
কারিগরি কালের ধারা ২৪